অল্প পড়ে ভাল রেজাল্ট করার উপায়-কম সময়ে ভাল রেজাল্ট করতে চাইলে টিপস গুলো আপনার জন্যে

পরিক্ষায় ভীতি প্রায় সব ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।তাই আজকে আপনাদের মাঝে আলচনা করবো কি ভাবে কম সময়ে পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করা যায়।ছাত্র ছাত্রীদের আজের জন্যে আজকের পোষ্টি খুবি উপকারি হবে। অনেক সময় অনেক কারনে ছাত্র ছাত্রীরা খুব বেশি পড়া লেখা করেতে পারে না।তাই তাঁরা খুব বেশি চিন্তায় পড়ে যায়। Olpo pore valo result korar upay

তাঁরা খুঁজে থাকে কিভাবে অল্প সময়ে ভাল রেজান্ট করা যায়। ভাল রেজাল্ট করার জন্যে বেশ কিছু টিপস রয়েছে, যা অনুসরণ করলে ভাল রেজাল্ট করা যাবে খুব সহজে। অনেক ভাবে যে ছাত্র জীবন কত সুন্দর জীবন যদি না থাকত পরীক্ষা, কিন্তু তাই বলে তো আর পরীক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে চলবে না। পরীক্ষা হচ্ছে প্লাটফর্ম যেখানে একজন ছাত্র নিজেকে প্রমান করে থাকে। 

তাই ভাল বা খারাপ যাই হোক না কেন পরীক্ষাতে তো অংশগ্রহন করতেই হবে।পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে পড়াশোনার কোন বিকল্প নেই, কিন্তু কিছু টেকনিক রয়েছে যা আপনি পরীক্ষার খাতায় এপ্লাই করলে আপনার পরীক্ষা অনেক ভাল হবে, এবং পরীক্ষক আপনাকে ভাল নাম্বার দেয়ার চেষ্টা করবে। আসুন তাহলে যেনে নেই কিছু টিপসঃ

নিয়মিত স্কুলে যাওয়া

পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করার প্রথম ধাপ হচ্ছে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হওয়া। কারন ক্লাসে আপনাকে ওইসব বিষয় গুলো পরিয়ে থাকে যা আপনার পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই স্কুল কামাই করলে সেই সব পড়া গুলো থেকে পিছিয়ে পড়ে তাই পরীক্ষায় খারাপ করে থাকে। তাই প্রতিদিন ক্লাস করার চেষ্টা করতে হবে, তাহলেই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল আশা করা যায়।

প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়া

অনেক ছাত্র ছাত্রী আছে যারা পড়া জমিয়ে রাখে, তাঁরা ভাবে যে পরে পড়া যাবে। কিন্তু সেই পড়ে পড়া আর হয় না। দেখতে দেখতে পরীক্ষা চলে আসে,তখন মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে, তখন চখে সরসে ফুল দেখে। তাই প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়তে হয়। তাহলেই আর পরীক্ষার আগে আর তেমন কোন সমস্যা হয়না।তাই নিয়মিত লেখাপড়া করা উচিত।

পড়ার পাশাপাশি লেখার অভ্যাস করা

পড়ার পাশাপাশি লেখার অভ্যাস করতে হবে। বেশি লেখলে অনেক রকম সুবিধা হয়, বেশি বেশি লেখলে হাতের লেখা সুন্দর হয়, দ্রুত লেখার অভ্যাস হয়। যা পরীক্ষার সময় খুবি দরকার। শুধু মুখস্ত করলে সেই পড়া বেশি দিন মনে থাকে না। কিন্তু লেখার অভ্যাশ করলে সেই পড়া অনেক দিন মনে থাকে। ছাত্র ছাত্রীদের লেখার অভ্যাস অনেক কম তাই তাড়া পরীক্ষার সময় লিখে সারতে পারে না। আর দ্রুত লেখার কারনে হাতের লেখা হয় খারাপ। তাই পরীক্ষায় নম্বর কম আসে।

দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া

এখনকার সময় হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ, তাই ছাত্র ছাত্রী সবাই এখন ফেসবুক আসক্ত। আর ফেসবুক দেখতে দেখতে তাদের রাত পার হয়ে যায়। তাঁরা রাতে ঠিকমত ঘুমতে পারেনা। আর তারে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ব্রেনের উপর চাপ পরে। আর ব্রেনে যদি চাপ পরে তাহলে পড়া খুব একটা মনে থাকে না। তাই একজন ছাত্রর পর্যাপ্ত ঘুমানো খুবি গুরুত্ব পুর্ন।

বুঝে পড়া

পড়ার সময় যা পড়বে তা বুঝে পড়তে হবে, তাহলে সেই পড়া অনেক বেশি সময় মুখস্ত থাকবে। আর যদি বুঝে পড়া না হয় তাহলে সেই পড়া খুব একটা সময় মনে থাকেনা। তাই বুঝে পড়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। আমরা অনেক সময় মনে করি যে পড়া মুখস্থ থাকলেই হল, কিন্তু কথাটি ভুল। আপনি কি পড়লেন তা যদি না বুঝেন তাহলে তা অন্যকে বুঝাতে পারবেন না। কিন্তু পরীক্ষার খাতায় আপনি লিখলেন তা পরীক্ষকে বুঝতে হবে। তাহলেই পরীক্ষায় ভাল নম্বর পাওয়া যাবে।

Olpo pore valo result korar upay

নোট করে পড়া

পড়া লেখার একটি স্মার্ট উপায় হচ্ছে নোট করে পড়া। আপনি যদি নোট করে পড়েন তাহলে অনেক রকম সুবিধা থাকে। যেমন আপনি যদি নোট করে পরেন তাহলে আপনাকে অনেক পড়তে হবে না। আপনি শুধু গুরুত্ব পুর্ন বিষয় গুলো নোট করবেন আর সেগুলোই পরবেন, তাহলে আপনার সময় বেচে যাবে, আপনি অল্প সময় অনেক বেশি পড়তে পারবেন। আপনি নোট করে পড়লে আপনার কোন গুরুত্ব পুর্ন বিষয় বাধ পড়ার সম্ভাবনা নেয়। তাই আপনি যখন পরীক্ষায় বসবেন আপনার কমন পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। 

রুটিন মাফিক চলাচল করা

ছাত্র ছাত্রীদেরকে অবশ্যই নিয়ম মাফিক চলাচল করতে হবে। কারন ডিসিপ্লেন খুবি জরুরি একটি বষয়। আপনি যদি আপনার মন ইচ্ছামত চলেন তাহলে আপনার অনেক রকম সমস্যা হতে পারে, যা একজন ছাত্রর জন্যে খুবি ক্ষতি কর। সময়মত পড়া , সময় মত ঘুমানো,ঘুম থেকে উঠা সবি করতে হবে একটি রুটিং মেনে। তাহলেই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল আশা করা যায় 

হাতে লেখা সুন্দর করা

পরীক্ষায় ভাল নম্বর পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে হাতের লেখা ভাল করতে হবে। তাই আপনাদের হাতের লেখা ভাল করার উপর জোর দিতে হবে। প্রচুর পরিমানে লেখতে হবে। তাহলেই হাতের লেখা সুন্দর হবে। আমরা আগেও এই বিষয় বলেছি যে পড়া মুখস্থ করার পাশা পাশি লিখতে হবে। তাহলেই আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।

পরীক্ষার খাতায় গুছিয়ে লেখা

পরীক্ষার খাতায় চেষ্টা করতে হবে গুছিয়ে লেখার। লেখার যদি আপনি গুছিয়ে লেখেন তাহলে তা পরীক্ষকের বুঝতে সুবিধা হয়। আর লেখা যদি খারাপও হয় তাহলেও কিছু নাম্বার বেশি পাওয়া যায়। গুছিয়ে লিখলে লেখার মান অনেক বেড়ে যায়। যা পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে সহায়ক ভুমিয়া পালন করে।

প্যারা করে লেখা

পরীক্ষার খাতায় অবশ্যই প্যারা করে লেখার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে পরীক্ষকের পড়তে অনেক বেশি সুবিধা হবে, আর লেখাগুলো অনেক বেশি সুন্দর ও মার্জিত দেখা যাবে, লেখার মান দেখেই শিক্ষক বুঝতে পারবেন যে ছাত্র অনেক বেশি গোছানো। আর এই ধরন শিক্ষকে বিমহিত হরে তুলবে এনং নম্বর অনেক ভাল আসবে। 

পরীক্ষার খাতায় বিভিন্ন রঙের কালি ব্যাবহার

পরীক্ষার খাতায় অনেক রকম কালি ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারন এই ব্যবহার আপনার অনেক সময় নষ্ট করে দেয়। এবং লেখার মান অনেক কমিয়ে দেয়। দেখতে দৃষ্টি কটু লাগে।পরীক্ষার খাতায় সবসময় মার্জিত ভাবে লেখার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে লেখা দেখতেও সুন্দর লাগবে আর সময় ও বেচে যাবে, সুধুব মার্জিনটা সুন্দর করে অনুসরন করে লেখতে হবে। তাহলেই ভাল নম্বর পাউয়া যাবে।

প্রশ্ন পত্র ভাল করে পড়া

প্রশ্ন হাতে পাওয়ার পরে তা ভাল করে একাধিক বার পড়া। হাতে পেয়েই লিখতে শুরু করা যাবেনা। কারন অনেক সময় প্রশ্ন বুঝার ভুলের কারনে উত্তর ভুল হয়ে যায়। আর এই কাজটি পরীক্ষার খাতায় করা যাবেনা। কারন পরীক্ষার সময় প্রত্যেকটা মূহর্ত খুবি মূল্যবান। তাই চেষ্টা করতে হবে যাতে কোন প্রকার ভুল না হয়।

ছেড়ে না আসা 

অনেক সময় দেখা যায় যে দি একটি প্রশ্ন কমন পরেনি, বা ভাল করে পারা যায় না, তাহলে তুলনা মুলক সহজ ও পারা উত্তর গুলো আগে দিতে হবে।এবং কঠীন উত্তর গুলো পরে ভেবে চিন্তে দিতে হবে। কিন্তু ভুলেও কোন উত্তর দেয়ার বাকি রাখা যাবেনা। যদি আপনি কোন উত্তর বাকি রাখেন তাহলে সেই প্রশ্নে আপনি ০ পাবেন। আর যদি আপনি কিছু লিখে আসেন তাহলে আপনি কিছু তো নাম্বার পাবেন। তাই কোন প্রশ্ন ছেড়ে আসা যাবেনা।

নিজের উপর বিশ্বাস রাখা

সবসময় নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে, কোন ভাবেই ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না। নিজে যতটুকু পারবে তা ভাল করে দেয়ার চেষ্টা করবে, তাহলেই আশা করা যায় পরীক্ষায় ভাল ফলাফল হবে।আর যদি আগেই ঘাবড়ে যান তাহলে আপনার পরীক্ষা ভাল হওয়ার কোন রকম চান্স নেই।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক,আশা করি আমাদের এই পোষ্টি আপনাদের ভাল লাগবে, কারন আমরা আমাদের ছাত্র ছাত্রীদেরকে কিছু উপকারি টিপস দেয়ার চেষ্টা করেছি। আমাদের পোষ্ট যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে যানাবেন।ধন্যাবাদ।

আরো পড়ুন-

দায়িত্ব নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস

পড়ায় মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে ১০ টি টিপস

ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট দেখার নিয়ম

নতুন চেক বই তোলার নিয়ম

নাম্বার দিয়ে লোকেশন ট্রাকিং-মুহূর্তেই বের করুন নাম্বার পরিচিতি

বাংলা রোমান্টিক গানের লাইন ক্যাপশন-রোমান্টিক স্ট্যাটাস

বাংলা রোমান্টিক ক্যাপশন ফেসবুকের জন্য- রোমান্টিক এস এম এস ও স্ট্যাটাস

বিরিয়ানি নিয়ে স্ট্যাটাস, ছন্দো ও কবিতা

লোডশেডিং নিয়ে মজার স্ট্যাটাস,ক্যাপশন ও কবিতা

Leave a Comment