বাচ্চাদের হাম হলে করণীয়-শিশুদের হাম কেন হয়

গ্রীষ্মকালের দিকে শিশুদের হাম হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়, এই সময়টাতে প্রচুর পরিমানে গরম হয়ে ওঠে আবহাওয়া। এই সময়টাতেই শিশুদের শরীর অনেক বেশি খারাপ হয়ে থাকে। বাংলাদেশের শিশুদের এই সময়টাতে হামের প্রবনতা অনেক বেড়ে যায়। আমাদের শিশুদের শরীর ভাল রাখতে ও হামের হাত থেকে বাচাতে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে। Baccader ham hole koroniyo-shishuder ham keno hoy

বড়দের তুলনায় ছোটদের অনেক বেশি হাম হয়ে থাকে। কিছু কিছু বাচ্চা অপুষ্টিতে ভুগে থাকে, তাদের হাম দেখা দিলে তা অনেক মারাত্মক হতে পারে। এই রোগে প্রতি রোগে শিশুদের মৃত্যুর খবর ও পাওয়া যায়। আমারা চাই আমাদের শিশুরা ভাল থাকুক এবং নিরাপদ থাকুক।

শিশুদের হাম কেন হয় 

এই রোগটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ, এই রোগের ভাইরাস যার মধ্যে থাকে তারই হাম হয়ে থাকে। এই হাম ছোয়াচে ধরনের রোগ, এই রোগে আক্রান্ত রোগির সংস্পর্শে আসলে তারো হাম হতে পারে। আর জন্যেই এই রোগ শিশুদের অনেক বেশি হয়ে থাকে । তবে এই রোগ যে শুধু শিশুদের হয়ে থেকে তা ন্নয়। এই রোগ শিশুদের পাশা পাশি বড় দেরো হতে পারে। তবে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার আশংকা অনেক বেশি থাকে। তাই এই গরমের সময় টূকু তাদের বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

তবে এই রোগ জীবনে একবার হলে দ্বিতীয়বার হওয়ার আশংকা অনেক কম থাকে। বরং বলা হয় হাম মানুষের জীবনে একবারি হয়ে থাকে। কিন্তু এই এক বারেই আমাদের অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাই আমাদের অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে।

shishuder hamer lokkhon

হামের লক্ষণ 

আমরা এখন জানবো হামের লক্ষন সম্পর্কে, কারন রোগের লক্ষন যদি আমাদের জানা থাকে তাহলে আমরা খুব সহজেই আমরা রোগ নিরুপন করতে পারব আর চিকিৎসা শুরু করতে পারব। আসুন তাহলে আমরা জেনে নেই হামের কিছু লক্ষনঃ

  • অন্যান্য ভাইরাস জনিত জ্বরের মত প্রথমে হালকা হালকা জ্বর থাকে।
  • শরীর ম্যাজম্যাজ করে।
  • শরীর প্রচুর ব্যাথা হতে পারে।
  • প্রথম ১-২ দিন জ্বরের তীব্রতা অনেক বেড়ে যেতে পারে।
  • চোখ মুখ ফোলা ফোলা লাগবে।
  • নাক দিয়ে পানি পরবে, হাচি ও কাঁসি হতে পারে।
  • শরীরে লালচে মতন র‍্যাশ বাঁ গুটি দেখা দিবে।
  • শিশুরা এই সময়ে কিছু খেটে যায় না।
  • এই সময়ে তাঁরা প্রচুর পরিমানে দূর্বল হয়ে পরে। 
  • এর সাথে শিশুদের ভাইরাল জ্বর বা অন্য কোন ভাইরাস জনিত রগ হতে পারে।

এই সবি হচ্ছে হামের লক্ষণ। এই লক্ষণ গুলো দেখা মাত্রই তাকে চিকিৎসকের কাছে নিইয়ে যেতে হবে।

হাম হলে করনীয়

শিশুদের হাম হলে তাকে খুব দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। প্রথমে ডাক্তার রোগী দেখে শনাক্ত করবেন যে এটা আসলেই হাম কিনা। যদি হাম হয়ে থাকে তাহলে তিনি পরবর্তি ব্যাবস্থা নিবেন।

হাম হলে রোগীকে প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। হামের জ্বর প্রথম তিন দিনেই ভাল হয়ে যায়। ৭ দিন পরে রোগী সম্পুর্ন ভাল হয়ে যায়। এবং প্রত্যক শিশুকে জন্মের পরে তাকে হামে টিকা দিয়ে রাখতে হবে। তাহলে হামের প্রকপ কমে যেতে পারে। 

প্রচুর পরিমানে তরল ও নরম খাবার খেতে হবে। কারন হাম দুর্বল শিশুদের অনেক বেশি নাজুক করে দেয়। তাদের শরীর একটু পর পর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। তাহলেই আশা করা যায় আমাদের শিশু খুব দ্রুত ভাল হয়ে যাবে।

প্রতিরোধের উপায়

হামের প্রধান প্রতিরোধক হচ্ছে টিকা, আমাদের সব শিশুকেই হামের টিকা নিশিত করতে হবে। তাহলে অনেক আংশেই এই হাম কমে যাবে। তারপর হাচি ও কাঁসি থেকে যেহেতু এই রোগ বেশি ছড়িয়ে থাকে তাই এই সব এড়িয়ে চলতে হবে। হাঁচি কাঁসি দেয়ার সময় রূমাল ব্যাবহার করতে হবে। শিশুদের কে অন্য রোগা ক্রান্ত শিশুদের সাথে খেলতে বা মিশতে দেয়া যাবে না। তাহলে এই রোগ থেকে কিছুটা দূরে থাকা যাবে। শিশুদের সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। স্বাস্থকর খাবার দিতে হবে। তাহলেই তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পবে।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, আশা করি আজকের এই পোষ্টি আপনাদের ভাল লাগবে। আমরা চাই যে সকল শিশু সুস্থ ও সুন্দর থাকুক, তাহলেই আগামীর পৃথিবীটা সুন্দর হবে। আর এরকম সুন্দর সুন্দর পোষ্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

আরো পড়ুন-

বিদেশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম-বিদেশ থেকে সহজে টাকা পাঠানোর নিয়ম

টেলিটক ব্যালেন্স চেক – নাম্বার দেখার নিয়ম

বিমানে কি কি নেয়া যাবে না-বিমানের লাগেজ বিধিমালা

ভাগ্য নিয়ে স্ট্যাটাস, উক্তি ও হাদিস

ইমোশনাল স্ট্যাটাস, আবেগ ভরা উক্তি ও ছন্দ

কাজ নিয়ে স্ট্যাটাস, উক্তি ও কবিতা

গ্রাম নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ও কবিতা

হাতপাখা নিয়ে স্ট্যাটাস,ক্যাপশন ও কবিতা

Leave a Comment